ভগলিও আন্দারে আলা বিয়েনালে (আমি বিয়েনালে'তে যেতে চাই)

নাইম মোহায়মেন / পারিস ফার্স্ট

 

ভেনিসে বাংলাদেশীদের জীবন: একটি শব্দ প্রামান্যচিত্র 

ফোর্টে মাগেরা'র পোলভেরিয়েরা ফ্রানসেসে

শনিবার-রবিবার, দুপুর ১২টা-রাত ৮টা 

বিনা মূল্যে প্রবেশ, কোন টিকেট লাগবে না |

ভাষা: বাংলা ও ইতালিয়ান

 

প্রতি দুই বছর পর বিশ্বের বৃহত্তম চারুকলা অনুষ্ঠান ভেনিস বিয়েনালে অনুষ্ঠিত হয় এই শহরে।

৫৬তম বিয়েনালে অনষ্ঠানের দর্শক হয়ত লক্ষ্য করবেন এই শহরে বিপুল পরিমান বাঙালি বিক্রেতার উপস্থিতি।

এরাই হলো শেক্সপিয়ারে বর্ণিত মার্চেন্ট অফ ভেনিসের নতুন সংস্করণ। দূনিয়ার সব কিছু বিক্রি করে তারা–সেলফি স্টিক, নরম রাবার, ঝাড়বাতি, নানা-আলো টর্চ, এবং অবশ্যই সেই লাল গোলাপ।

হেলিকোত্রেমা ফেস্টিভালে ভেনিসের বাঙালিদের জীবনের কথা শুনতে পাবেন একটি শব্দ প্রামান্য চিত্রে।

ভেনিসের পল্ভেরেসা একটি প্রাচীন বারুদ মজুদের ঘর, যেখানে ঢুকলে এই প্রামান্য চিত্রটি শুনতে পারবেন।

হয়ত শুধুমাত্র ভেনিসের বাঙালিরা এই ঘরের ভেতর সব কথা বুঝতে পারবে। বাকিদের জন্য আছে ইতালিয়ান, ভাঙ্গা ইংরেজি ("ইউরোপে তখন ক্রেজি দেখা দিসে!"), হাসি-ঠাট্টা, আর রাস্তার শব্দ।

যেই নরসিংদির ভাইয়ের সাক্ষাতকার নেয়া হয়েছে, তিনি আছেন এখানে দুই ভাষায়, বাংলা ও ইতালিয়ান।

আধুনিক সময়ের চিহ্ন হলো মানুষের এই নতুন ক্ষমতা । কারণ এমন এক সময়ের মধ্যে আমরা আছি যখন ধনতন্ত্র (ক্যাপিটালিসম) পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় যেতে পারে, কিন্তু মানুষকে বর্ডারে আটকে দেয়া হয়, এবং ভাষাই হয়ে যায় আক্রমনের বিরুদ্ধে একমাত্র হাতিয়ার।